ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ডিবি পরিচয়ে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে টিপুকে ক্র'স'ফা'য়া'র দিয়ে হ'ত্যা করা হয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৯-০১ ২০:১০:৪৪
‘ডিবি পরিচয়ে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে টিপুকে ক্র'স'ফা'য়া'র দিয়ে হ'ত্যা করা হয়’ ‘ডিবি পরিচয়ে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে টিপুকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করা হয়’
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ডিবি পরিচয়ে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদারকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর এক দিন পরই টিপুকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার খবর পান সেলিনা বেগম।

 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সাক্ষী হিসেবে বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ তিনি এ কথা জানান।

 

জানা যায়, সেলিনা বেগমের ভাগনির স্বামী টিপু হাওলাদার। ২০১১ সালে সাক্ষীর ভাগনির সঙ্গে টিপুর বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে।

 

জবানবন্দিতে সেলিনা বেগম জানান, টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের বাড়িতে আসেন টিপু হাওলাদার। ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তার বাসায় ডিবি পুলিশ আসে। তারা জিজ্ঞাসা করলে আসা লোকজন জানান যে তারা বরিশাল থেকে এসেছেন এবং তাদের সঙ্গে ঢাকার কিছু লোক আছেন। তারা টিপুকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যান।

 

এ ঘটনার সময় তিনি চিৎকার করেন উল্লেখ করে সাক্ষী সেলিনা জানান, তখন পাশের বাসা থেকে নাহার বেগম নামে একজন প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন। তারা দুজন টিপুকে যে স্থানে গাড়িতে তোলা হয়, সে পর্যন্ত যান। সে রাতেই ভাগনিকে ফোন দিয়ে তিনি ঘটনা জানান। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেখেন টিপু ও কবির নামে দুজন ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তার ভাগনির কাছে তিনি শুনেছেন, অন্য থানার দুজন পুলিশ টিপুকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছেন।

 

এ মামলায় চারজন আসামি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক। এ মামলায় সাবেক এএসআই মাহাবুল ও জসিম কারাগারে আছেন।


 



নিউজটি আপডেট করেছেন : News Room 3

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ